রিপোর্ট :ওয়াসি উল কবির (বাবু):
বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকালে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার এক বার্তায় বলা হয়, ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার নির্দেশ, হামলা চালানো এবং তাতে অর্থের যোগান দেয়ার অভিযোগে কিশোরগঞ্জ ও পাকুন্দিয়া থানায় তার নামে চারটি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে দুটি মামলায় এক নম্বর এবং দুটিতে তিন নম্বর আসামি তিনি।
পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছিলেন সোহরাব উদ্দিন। গত জানুয়ারির বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কটিয়াদি ও পাকুন্দিয়া নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। নৌকার প্রার্থী পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল কাহার আকন্দকে ২১ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন সোহরাব উদ্দিন। কাহার আকন্দ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, ২০০৪ সালের ২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলা মামলা এবং ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহ মামলাসহ কয়েকটি আলোচিত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন। এই আসনেই একাদশ সংসদে সদস্য ছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ। পুলিশের প্রভাবশালী দুই কর্মকর্তাকে টেক্কা দিয়ে ভোটে জেতার কারণে জাতীয় রাজনীতিতে উঠে আসেন কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের সাবেক এই নেতা