রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাজ্জাদ রশিদ একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রগতিশীল উদ্যোক্তা, সমাজসেবী এবং মানবপ্রেমিক। তিনি একজন ক্যারিশম্যাটিক, দূরদর্শী এবং সফল ব্যক্তিত্ব। জনাব সাজ্জাদ রশিদ এর ব্যতিক্রমী কর্মজীবন আর্থিকখাত, বিনিয়োগ, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডকে ঘিরে বিস্তৃত - যার সবকিছুর মূলে রয়েছে মাতৃভূমি বাংলাদেশের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা।
জনাব সাজ্জাদ রশিদ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর ৪ (ফরিদগঞ্জ) থেকে সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু নির্বাচনের দিন অনিয়ম, ভোট কারচুপি ও সহিংসতার শিকার হয়ে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলন করে সাহসিকতার সাথে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন চাঁদপুর ৪ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাজ্জাদ রশিদ। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন সকাল থেকে যতগুলো ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছিলেন, প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল শূন্যের কোঠায়, কিন্তু ব্যালট বাক্স ছিল অর্ধেকের বেশি ভরা। তিনি আরো বলেন, তার এজেন্টদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে বের করে দেয়া হয়েছিল। তিনি উপজেলা সদরের এ,আর,পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বোমা হামলা শিকার হন। তার কর্মী ও সমর্থকদের মারধর, বাড়ি ও যানবাহন ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল।
জনাব সাজ্জাদ রশিদ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার 'বৈদেশিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা' হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু জাতীয় পার্টির দলীয় পক্ষপাতমূলক ও বৈষম্যমূলক কার্যক্রম, পরস্পর বিরোধী ও রাজনৈতিক নীতিহীন সিদ্ধান্তের প্রতি অনাস্থা ব্যাক্ত করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এবং চাঁদপুর জেলা সহ-সভাপতি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।
জনাব সাজ্জাদ রশিদ ফরিদগঞ্জের সাধারণ মানুষের আস্তাভাজন ও পরীক্ষিত ব্যক্তি। দল-মত ধর্ম-নির্বিশেষে, ফরিদগঞ্জের সাধারণ জনগণ মনে করেন - সাজ্জাদ রশিদের রাজনীতিতে অনুপস্থিতি আগের মত একতরফা নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাবে। ফরিদগঞ্জের সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন যে - সাজ্জাদ রশিদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে, প্রতিযোগিতা থাকবে, অন্যথায় নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক হবে না। একজন দেশপ্রেমিক, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে, সাজ্জাদ রশিদ নির্বাচিত হলে সত্যিকার অর্থে ফরিদগঞ্জে অনেক উন্নয়ন সাধিত হবে, ফরিদগঞ্জের উন্নয়নের স্বার্থে সংসদে গিয়ে বলিষ্ঠ কন্ঠে বলতে পারবেন।
সাজ্জাদ রশিদের বাবা মরহুম এম. এ. রশিদ বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।
সাজ্জাদ রশিদের মা, মমতাজ রশিদ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনের সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নির্বাচিত সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম মহিলা কমিশনার ছিলেন। তিনি সম্মানসূচক ‘রত্নগর্ভা মা ২০০৫’ পুরস্কারও পেয়েছিলেন।
জনাব সাজ্জাদ রশিদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ এবং সুইডেনের কালমার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনায়’ এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
জনাব সাজ্জাদ রশিদ বর্তমানে কানাডিয়ান ভিত্তিক একটি তেল রিফাইনারি এবং সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একজন বিনিয়োগকারী, পরিচালক এবং বিশেষ উপদেষ্টা। তিনি ব্যাংক অফ আমেরিকা, ওয়েলস ফার্গো ব্যাংক, জেপি মরগান চেজ, কমনওয়েলথ অফ ম্যাসাচুসেটসের কম্পট্রোলার অফিস এর মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।
গত এক দশক ধরে, জনাব সাজ্জাদ রশিদ ফরিদগঞ্জের সুবিধাবঞ্চিত নাগরিকদের মৌলিক অধিকার (খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা) নিশ্চিত করার জন্য নিজস্ব উদ্যোগ এবং তহবিল দিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। জনাব সাজ্জাদ করোনা মহামারী চলাকালীন চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল এবং ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডক্টরস সেফটি চেম্বার, এসি, অক্সিজেন সিলিন্ডার সহ চিকিৎসা সরবরাহ করেছেন। তিনি প্রতি বছর বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের খাদ্যসামগ্রী, শাড়ি, লুঙ্গি ও শীতকালীন কম্বল বিতরণ করেন। তিনি সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে উদাত্তচিত্তে কাজ করে যাচ্ছেন, বেকারত্ব দূরীকরণ ও যুব ও নারীর আর্থিক উন্নয়নে সেলাই মেশিন দান, সুবিধা বঞ্চিত অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার জন্য জন্য আর্থিক সহায়তা, অবহেলিত রাস্তা নির্মাণের পাশাপাশি মসজিদ ও মাদ্রাসায় দান এবং ক্রীড়া অনুষ্ঠান আয়োজনে সকল প্রকার সহায়তা করে যাচ্ছেন।