রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকালে কাওরান বাজারের
পাইকারি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, আলু ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাত্র একসপ্তাহ আগে যা ছিল ৬০ টাকা কেজি। এছাড়া ২১৫ টাকা দরের দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা, ২০০ টাকার চায়না রসুন ২১৫ টাকা এবং আমদানি করা ভারতীয় রসুন বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা কেজি। তবে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। দেশি পেঁয়াজ ১০০ টাকা ও ভারতীয় আমদানি করা পেঁয়াজ ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে দেশি পেঁয়াজ ১৩০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া ভারতীয় এলসির কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা ও দেশি কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে শীতকালিন সবজির মধ্যে ফুল কপি ৪০ থেকে ৪৫, বেগুন ৫৫ থেকে ৬০, বাধাকপি ৫৫, সিম ৫৫, ওলকপি ৪০, মটির আলু ৬০, মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৩৫, মুলা ৪০, টমেটা ১২০, বরবটি ৪৫, ঢেড়স ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে এসব সবজির দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেশি ছিল। তবে খুচরা বাজারে আলু, পেঁয়াজ ও রসুনসহ এসব সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।
কাওরান বাজার পাইকারি বাজারের আলু ব্যবসায়ী মহিবুল ইসলাম (সবুজ) জানান, এখন থেকে মাত্র এক সপ্তাহ আগে আলুর দাম কেজিতে ১০ টাকা কম ছিল। সরবরাহ কমে যাওয়ায় হঠাৎ করে দাম বেড়ে গেছে। আমরা খরচসহ কেজিতে ১ টাকা লাভে আলু বিক্রি করে থাকি। ভারত আলু রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে এইরকম একটি গুজবে বাজারে আলুর সরবরাহ কমে গেছে। যে কারণে দাম বেড়েছে। তবে বাজারে দেশি নতুন আলু উঠা শুরু করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই আলুর দাম আবার কমে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।তাছাড়া ভারত থেকে আলু আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দাম বেড়ে গেছে। নতুন আলু বাজারে আসা শুরু হয়েছে। সরবরাহ একটু বাড়লে দাম কমে যাবে বলে জানান তিনি।