বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘মনে হচ্ছে আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের: নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-শিবির সংর্ঘষ, আহত ৫: এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন তানভীর গ্রেপ্তার: জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ: জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, উন্মুক্ত হচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকে: ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, পৌঁছবেন ২১ সেপ্টেম্বর: আমদানী রপ্তানি ঢাকা আঞ্চলিক অফিসে দূর্নীতির নীরব সিন্ডিকেট নেপথ্যে উপ-নিয়ন্ত্রক ওবায়দুল্লাহ : চিলমারী নদী বন্দর স্থাপন প্রকল্পে চলছে হরিলুট নেপথ্যে প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি শিপন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর পুনর্নির্বাচিত: মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোতে সন্দেহজনক ব্যাগ, স্টেশন বন্ধ:

জঙ্গি সাজিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি, ফাঁসির দণ্ড নিয়ে কারাগারে ধুকছে খুলনার মুরাদ:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তারের পর ১৭ বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন খুলনার যুবক মুরাদ হোসেন। এর মধ্যে ঝালকাঠি আদালতের পিপি হায়দার হোসেন হত্যা মামলায় তাকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মুরাদের পরিবার দাবি করেছে।

 

পারিবারিক সম্পদ ভাগ বাটোয়ারা ও রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে ২০০৭ সালে বাড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় র‌্যাব। প্রথমে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দেওয়া হয়। পরে মুরাদকে ঝালকাঠি আদালতের পিপি হায়দার হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় রিমান্ডে নিয়ে পিটিয়ে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করা হয়। সেই জবানবন্দির আলোকে আদালত মুরাদকে ফাঁসির আদেশ দেন। অন্য দুটি মামলায় মুরাদ খালাস পেয়েছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে তার ছোট ভাই মো. নয়ন বলেন, গ্রেপ্তারের সময় মুরাদ হোসেন সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল। ওই সময় জেএমবি বা জঙ্গি শব্দটিই ছিল আতংকের নাম। তখন মুরাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী দাড়াননি। জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদনও গ্রহণ করা হয়নি। একই সঙ্গে তার বাবাকে চাপ দিয়ে মুরাদকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করানো হয়।

নয়ন দাবি করেন, ওই মামলায় ৫ জনের ফাঁসি হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জনই পলাতক। অন্য যাদের ফাঁসি হয়েছে তিনিও মুরাদকে চিনতেন না। কারাগারে দেখা করতে গেলে মুরাদ বলতো, জঙ্গি মামলায় জেএমবির যত নেতা কারাগারে আসতো, মামলায় হাজিরা দিতে যেতো কেউই মুরাদকে চিনতো না। সবাই মুরাদকে দেখে আফসোস করতো।

 

তিনি বলেন, জঙ্গি মামলায় ভাইয়ের ফাঁসির সংবাদে তারা সামাজিকভাবে অনেক নিগ্রহের স্বীকার হয়েছেন। মুরাদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও হয়রানির শিকার হতে হতো। এসব কষ্ট নিয়ে ২০১৯ সালে বাবা মারা যান। এর বিরুদ্ধে কথা বলার কোনো পরিবেশ ছিল না।

 

সংবাদ সম্মেলনে নয়ন ঝালকাঠি আদালতের পিপি হায়দার হোসেন হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত দাবি করেন। একই সঙ্গে প্রকৃত খুনীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তার ভাইকে মুক্তি দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা