রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর উত্তরা এপিবিএন কার্যালয়ের উপ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পদ এর বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় গণমাধ্যম কর্মীদের মামলার হুমকি ও নানান প্রকার ষড়যন্ত্রের শিকারের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রধান কার্যালয় সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে আবারো অভিযোগ করে তার বিরুদ্ধে। এর আগে অভিযোগ ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রফিকুল ইসলাম গাজীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে সে আবারো বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন গণমাধ্যম কর্মীদেরকে। গত ১০ নভেম্বর অভিযোগগুলো দাখিল করেন। রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে অভিযোগকারী হলেন, আমি মো. সুলতান ছালাউদ্দিন, বাবার নাম সাহেব উদ্দিন, উপজেলার- মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ। এই মর্মে অভিযোগ করিতেছি যে, মো. রফিকুল ইসলাম গাজী, এপিবিএন ডিআইজি কার্যালয়, উত্তরা, ঢাকায় কর্মরত আছেন। তার বিষয়ে গত ১৭/০৮/২০২৫ তারিখ চেয়ারম্যান দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয় সেগুন বাগিচা, ঢাকা বরাবর একটি অভিযোগ করেন মো. আবু জাফর ছিদ্দিক নামের জনৈক্য ব্যক্তি। অভিযোগ ও অনুসন্ধানে যানা যায় যে, রফিকুল ইসলাম গাজী, বাবার নাম-কাবিল উদ্দিন গাজী, স্ত্রীর নাম ফাতেমাতুজ্জজহুরা, তার স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-শিবপুর বাদুরগাছা, ডাকঘর-বায়ারসিং, উপজেলার-ডুমুরিয়া, জেলা-খুলনা। বর্তমান বাসা-৫০, উদয়ায়ন স্কুল রোড, দক্ষিণখান, উত্তরা, ঢাকা। এছাড়াও তার দক্ষিণখান বায়তুল মামুর মসজিদের বিপরিত পাশে ৬ষ্ঠ তলা ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় সম্পূর্ণ ফ্লোরের মালিক গাজী রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও এপিবিএন কার্যালয়ের ২নং গেইটের পাশে রেল গেইট সংলগ্ন ৩০ জন মিলে ফ্ল্যাট নিমার্ণ করে সেখানে তিনি একটি ফ্লাটের মালিক। একজন এপিবিএন পুলিশের এসআই কিভাবে অল্প দিনেই কোটি কোটি টাকার মালিক হলেন তা আশ্চার্যের বিষয়। তার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীকে কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় ও দৈনিক আলোকিত একুশে সংবাদে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। রফিকুল ইসলাম গাজীর বিরুদ্ধে ইতি পূর্বে স্বরাষ্ট্র সচিব বরাবর অভিযোগ করেন এবং রফিকুল ইসলাম গাজীর বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি খবির উদ্দিন ভূইয়া আইনগত নোটিশ প্রদান করেন ৩০/১০/২০২৫ তারিখে পুলিশের মহা পরিদর্শক বরাবর। ০৯/১১/০২০২৫ তারিখ দৈনিক আলোকিত একুশে সংবাদ পত্রিকায় গাজী রফিকুল ইসলাম এর ফ্ল্যাটের ছবি সহ সংবাদ প্রকাশ করায় বর্তমানে পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলী ও পত্রিকার রিপোটার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগীতেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। গত ২৮/১০/২০২৫ তারিখ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেন জণৈক্য ব্যক্তি। একজন অবৈধ সম্পদের মালিক ও অবৈধ হুমকি দাতা অবৈধ কর্মকান্ডের বিষয়ে অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করে পত্রিকার রিপোটারগণ ও সম্পাদকমন্ডলীদের নিরাপত্তা প্রদান করতে আপনার নিকট আকুল আবেদন করছি। উপরোক্ত বিষয়ে বিবেচনা করে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে জনাবের মর্জি হয়। এছাড়াও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্ট বিভাগে অভিযোগগুলো দেওয়া হয়।
১। গত ৩/১১/২০২৫ তারিখের দৈনিক আলোকি একুশ সংবাদ প্রত্রিকার মূল কপি।
২। গত ২৮/১০/২০২৫ তারিখের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগের ফটোকপি।
৩। গত ৩০/১০/২০২৫ তারিখের লিগ্যাল নোটিশের ফটোকপি।
৪। গত ১৭/০৮/২০২৫ তারিখের দুদকের অভিযোগের ফটোকপি।
অনুলিপিঃ সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করা হলো।
১। মহা-পুলিশ পরিদর্শক, ঢাকা।
২। জনাব কাজী মো. ফজলুল করিম, ডিআইজি (প্রশাসন), বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা।
৩। অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ডিএন্ডপিএস-১), বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা ।
৪।অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ডিএন্ডপিএস-২), বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা।
৫ । মো. নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি, এপিবিএন, উত্তরা হেডকোয়ার্টার, ঢাকা।
৬। পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা। উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েক দফা রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রীর দুর্নীতি ও অপকর্মের মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।