রিপোর্ট : ওয়াসি উল কবির (বাবু) :
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে নিহতের স্বামী মো. ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় এই এজাহার দাখিল করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- মূল ঘাতক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, এবং একই বিভাগের দুই সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও মো. হাবিবুর রহমান।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘বৃহস্পতিবার অভিযোগ জমা পড়লেও আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) মামলাটি থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে রুজু করা হয়েছে। ঘাতক ফজলুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’
গত বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন আসমা সাদিয়া রুনা। এ সময় কর্মচারী ফজলুর রহমান কক্ষে ঢুকে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। শিক্ষিকার মৃত্যু নিশ্চিত করার পর ঘাতক ফজলুর রহমান নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাদ জোহর কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।