রিপোর্ট : খেলার ডেস্ক :
সুইডেনের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-০ ব্যবধানে জিতিয়েছেন এমবাপে। এই দুই গোলের পর গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তার গোলসংখ্যাও দাঁড়িয়েছে ৬, ঠিক মেসির সমান। বিশ্বকাপ যত নকআউট পর্বের গভীরে যাচ্ছে, ব্যক্তিগত এই লড়াইও ততই রোমাঞ্চকর হয়ে উঠছে।
একজন ছয়টি বিশ্বকাপের অভিজ্ঞ কিংবদন্তি। অন্যজন এখনও মাত্র তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলছেন। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে এসে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপে একই গল্পের দুই প্রধান চরিত্র।
সুইডেনের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-০ ব্যবধানে জিতিয়েছেন এমবাপে। এই দুই গোলের পর গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তার গোলসংখ্যাও দাঁড়িয়েছে ৬, ঠিক মেসির সমান। বিশ্বকাপ যত নকআউট পর্বের গভীরে যাচ্ছে, ব্যক্তিগত এই লড়াইও ততই রোমাঞ্চকর হয়ে উঠছে।
এমবাপের জন্য রাতটি শুধু দুটি গোলের জন্য স্মরণীয় নয়। এই ম্যাচেই তিনি ছুয়ে ফেলেছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের আরেকটি বড় মাইলফলক। মাত্র তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলেই তার মোট গোলসংখ্যা এখন ১৮। অর্থাৎ বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তিনি উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে।
এই পথে তিনি পেছনে ফেলেছেন জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে, যিনি চারটি বিশ্বকাপে ২৪ ম্যাচে করেছিলেন ১৬ গোল। অথচ এমবাপ্পে ১৮ গোলেই পৌঁছে গেছেন মাত্র ১৮ ম্যাচে। পরিসংখ্যানটিই বলে দেয়, কী অবিশ্বাস্য গতিতে ইতিহাস লিখছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।
এখন তার সামনে রয়েছেন শুধু মেসি। ছয়টি বিশ্বকাপ মিলিয়ে ২৯ ম্যাচে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের গোল ১৯টি।
ফুটবলের সৌন্দর্যই বোধহয় এখানে। একদিকে ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে ৩৯ বছর বয়সী মেসি। অন্যদিকে নিজের সেরা সময়ের শুরুতেই দাঁড়িয়ে থাকা ২৭ বছর বয়সী এমবাপে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম দেখা যাচ্ছে এমন দৃশ্য, যেখানে দুই ফুটবলার একই সময়ে গোল্ডেন বুটের শীর্ষে অবস্থান করছেন, আবার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডের জন্যও লড়ছেন একে অপরের সাথে।
অবশ্য এই গল্প এখনও শেষ হয়নি। সামনে নকআউটের আরও কঠিন পরীক্ষা। শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ চমক জাগানো প্যারাগুয়ে, যারা টাইব্রেকারে জার্মানিকে বিদায় করেছে। অন্যদিকে মেসির আর্জেন্টিনাও এগিয়ে চলছে শিরোপার লক্ষ্যে।