রিপোর্ট : ইসলামী ডেস্ক :
আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) পবিত্র ঈদে মিলাদুনবী (সা.)। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস হিসেবে মুসলিম উম্মাহ এ দিনটি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে পালন করে থাকে।
ইসলামী ইতিহাস অনুযায়ী, ১২ রবিউল আউয়াল ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আরবের মক্কায় মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেন এবং একই তারিখে ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইন্তেকাল করেন। তাই এ দিনটি মুসলমানদের কাছে আনন্দ ও শোকের মিশ্র আবেগে পূর্ণ।
দিনটি উপলক্ষে সারাদেশে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদ্রাসায় বিশেষ দোয়া মাহফিল, কোরআন খতম ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মসজিদগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। টেলিভিশন ও পত্রিকাগুলোতে প্রচারিত হচ্ছে বিশেষ অনুষ্ঠান ও ফিচার।
এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। সরকার দিনটিকে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ও শিক্ষা আজকের সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবতার মুল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।
চলতি বছর ২৬ আগস্ট থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হওয়ায় সরকার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণ করেছে। পূর্বে ৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নির্ধারিত ছুটি পরিবর্তিত হয়ে ৬ সেপ্টেম্বর শনিবার নির্ধারিত হয়েছে। এই দিনটিতে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধাস্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবার আওতায় থাকা বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, ডাকসেবা, হাসপাতাল, চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহ, সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা এ ছুটির বাইরে থাকবেন।
জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও এই ছুটি প্রযোজ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে।