মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা-৪ জামায়াত এমপির অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল, যা জানা গেল: রিজেন্টের আলোচিত সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার: পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি: ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল জিতলেন রদ্রি: আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন: ঢামেকে মাই হেলথ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের এক দালাল আটক: মেয়াদ উত্তীর্ণের ফাঁদে গ্রাহকের টাকা ও ইন্টারনেট ডাটা: মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে বাড়ছে ক্ষোভ: হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা আইআরজিসির: সাবেক স্পিকার ও প্রবীণ রাজনীতিক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই: সুইজারল্যান্ডকে ৩–১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা:

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রামিসার হত্যাকারী সোহেল রানার:

রিপোর্ট : ওয়াসি উল কবির (বাবু) :

 

দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা ৭ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা।

 

বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

 

পুলিশ জানিয়েছে, সোহেল রানা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় আদালতে তা রেকর্ডের আবেদন করা হয়। সেই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখারও আবেদন করা হয়।

 

এর আগে সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করা হয়। তবে এর মধ্যেই তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হন।

 

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে সোহেল রানাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

 

আদালতে দেওয়া আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে- হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ‎সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

 

একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মথাবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। এ ছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

 

আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে খণ্ডিত মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

 

অন্যদিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা