শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আসছে স্মার্ট সংবাদ শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ২০৪ জন ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ: সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি: সাইবার সুরক্ষা আইন পুনর্বিন্যাস: মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: ফের বাড়লো এলপিজির দাম : গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ: বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মিল্টন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর: তাহসিফের মৃত্যু, সেই তরুণী গ্রেপ্তার, দীপকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু: শ্রমিক বিক্ষোভ, আগুন: মেট্রোরেল বন্ধ! এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী:

ফরিদগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর অবৈধ দখলে, প্রকৃত ভূমিহীনদের বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ:

রিপোর্ট : রুহুল আমিন খাঁন স্বপন :

 

ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা উওর ইউনিয়নের দাসপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যে ১৪টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে বেশ কয়েকটি ঘর এখন অবৈধ দখল, ভাড়া দেওয়া বা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এর ফলে সরকারের মূল উদ্দেশ্য – প্রকৃত গৃহহীনদের পুনর্বাসন – ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, রাজনৈতিক বিবেচনায় বরাদ্দ পাওয়ায় অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার বঞ্চিত হয়েছে।

দাসপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৪টি ঘরের মধ্যে দুটি ঘর স্থানীয় প্রভাবশালীরা জোর করে দখল করে রেখেছেন। অন্যদিকে, দুটি ঘরে রয়েছে ভাড়াটিয়ারা। ভাড়াটিয়া জেসমিন বেগম জানান, যারা ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে থাকছেন না। তাই তাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি ঘরটিতে থাকেন। এছাড়া, একটি ঘর সম্পূর্ণ ফাঁকা পড়ে আছে, যেখানে খড়কুটো ও মুরগি পালন করতে দেখা যায়। বরাদ্দ পাওয়া অনেক সুবিধাভোগী ঘরগুলো ফেলে রেখে অন্য জায়গায় বসবাস করছেন।

 

প্রকৃত ভূমিহীনদের বঞ্চনার অভিযোগ

স্থানীয়দের অভিযোগ, তৎকালীন আওয়ামী লীগের কিছু ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন, যদিও তাদের অনেকেই প্রকৃত অর্থে ভূমিহীন নন। ফলে যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, সেইসব অসহায় মানুষরা ঘর থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, যারা বরাদ্দ পেয়েও ঘরে থাকছেন না, তাদের বরাদ্দ বাতিল করে নতুন করে যারা সত্যিই ভূমিহীন, তাদের পুনর্বাসন করা হোক।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, “যদি কোনো উপকারভোগী ঘরে না থাকেন, তাহলে তাদের কবুলিয়ত (জমির মালিকানার দলিল) বাতিল করে বর্তমানে যারা ভূমিহীন আছেন, তাদের পুনর্বাসন করা হবে।”

 

স্থানীয়রা আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তারা মনে করেন, ঘরগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের হাতে পৌঁছানো গেলে সরকারের এই মহৎ উদ্যোগের সফলতা নিশ্চিত হবে। এই সংকট নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি স্বচ্ছ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা