শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আসছে স্মার্ট সংবাদ শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ২০৪ জন ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ: সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি: সাইবার সুরক্ষা আইন পুনর্বিন্যাস: মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: ফের বাড়লো এলপিজির দাম : গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ: বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মিল্টন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর: তাহসিফের মৃত্যু, সেই তরুণী গ্রেপ্তার, দীপকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু: শ্রমিক বিক্ষোভ, আগুন: মেট্রোরেল বন্ধ! এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী:

মহাখালী সাততলা বস্তি এবং বনানী কড়াইল বস্তির মাদক সম্রাট: সুইপার হালিম:

রিপোর্ট : মহাখালী প্রতিনিধি :

মহাখালী সাততলা বস্তি এবং বনানী  কড়াইল বস্তি এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম হালিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ: রাজনৈতিক এবং সন্ত্রাসী সংযোগের সন্দেহ

ঢাকা শহরের মহাখালীতে অবস্থিত সাততলা বস্তি এবং বনানীতে  অবস্থিত কড়াইল বস্তি এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক এবং অস্ত্র ব্যবসায়ী “শহীদুল ইসলাম হালিম” (ওরফে সুইপার হালিম) যিনি এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, এবং অস্ত্রের বাণিজ্য নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা রয়েছে, এবং স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তাঁর রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসী সংযোগ, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের  সংসদ সদস্য শেখ  সেলিমের সন্ত্রাসী বাহিনীর সাথে সংশ্লিষ্টতার কথাও ওঠে এসেছে।

 

 

স্থানীয়দের মতে, হালিমের নাম এই এলাকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। বিশেষ করে তিনি এলাকায় মাদকদ্রব্য বিক্রি, চাঁদাবাজি এবং অস্ত্র সরবরাহের জন্য পরিচিত।

 

শহীদুল ইসলাম হালিমের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদক মামলার অভিযোগ রয়েছে। সূত্র মতে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কড়াইল বস্তি এবং বনানী এলাকায় মাদক সাপ্লাই করছিলেন। বিশেষত, তিনি বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য বিক্রয় এবং সরবরাহের মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের একত্রিত করেন।  মাদক মামলায় তার বিরুদ্ধে এখনো তদন্ত চলছে।

 

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন যে, শহীদুল ইসলাম হালিম তাদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন। প্রতিবাদ করলে হুমকি ও সহিংসতার শিকার হতে হয়।

সূত্র: স্থানীয় ব্যবসায়ী (নাম গোপন রাখা হয়েছে)

 

অস্ত্র ব্যবসায়ী হালিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ অস্ত্র সরবরাহ করতেন। এই অস্ত্রগুলো মূলত সন্ত্রাসী কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতো। পুলিশ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সূত্রে অস্ত্র ব্যবসার প্রমাণ পেতে চেষ্টা করছে।

 

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, হালিম (সুইপার হালিম) আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একজন নেতার সন্ত্রাসী বাহিনীতে সক্রিয় ছিলেন। তার রাজনৈতিক সংযোগ এবং সন্ত্রাসী বাহিনীর সাথে সম্পর্কের কারণে স্থানীয় এলাকাগুলোর নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।

সূত্র: স্থানীয় সাক্ষী (নাম গোপন রাখা হয়েছে)

 

স্থানীয়দের অভিযোগ

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহীদুল ইসলাম হালিম দীর্ঘদিন ধরে তাদের জীবনে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। তার অত্যাচারে বহু ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না। একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন যে, তিনি এলাকায় অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন এবং তার বিরুদ্ধে কোনো দৃঢ় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

 

 

শহীদুল ইসলাম হালিমের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর। মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ব্যবসা, এবং রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসী সংযোগের অভিযোগে তার নাম উঠে আসছে। যদিও বনানী থানায় তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের হয়েছে, তবে তদন্তের স্বচ্ছতা এবং কার্যকরী পদক্ষেপের জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের দিকে নজর দিচ্ছেন।

এর পাশাপাশি, আরও বিস্তারিত তদন্ত এবং প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে সত্য উন্মোচন করা প্রয়োজন। যদি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া না হয়, তাহলে এর ফলে আরও বৃহত্তর নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা