শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আসছে স্মার্ট সংবাদ শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ২০৪ জন ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ: সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি: সাইবার সুরক্ষা আইন পুনর্বিন্যাস: মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: ফের বাড়লো এলপিজির দাম : গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ: বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মিল্টন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর: তাহসিফের মৃত্যু, সেই তরুণী গ্রেপ্তার, দীপকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু: শ্রমিক বিক্ষোভ, আগুন: মেট্রোরেল বন্ধ! এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী:

ফের বেপরোয়া সেই টি আই মতিন:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

ফের বেপরোয়া সেই টি আই মতিন –

দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর ফের আলোচনায় এসেছেন বিতর্কিত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর গত বছর জুলাই – আগষ্টের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর হামলাকারী গুলশান ট্রাফিক বিভাগ পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টি আই) মতিন। তার আগের কর্মকাণ্ড নিয়ে বহু অভিযোগ থাকলেও, হঠাৎ করে আবার তাকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যাচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চলছে জোর আলোচনা, সন্দেহ, এমনকি উদ্বেগ।

 

কেন বিতর্কিত এই টি আই মতিন?

 

টি আই মতিন এক সময় এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থার দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছিল—  

 

১ – ঘুষ গ্রহণ  

 

২ – যানবাহন আটকে অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়  

 

৩ – প্রভাব খাটিয়ে বিশেষ গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া  

 

৪ – সাধারণ চালকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার  

 

৫ – ট্রাফিক নিয়মের নামে হয়রানি করা

 

৬ – সব শেষে গত বছর জুলাই – আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর নির্মমভাবে হামলা করা ।

 

এইসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে কিছুদিনের জন্য অন্যত্র বদলি করা হয়েছিল বলে শোনা গিয়েছিল।

 

ফের গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত যানবাহন চালকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া – :

 

সম্প্রতি তাকে আবারও আগের এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে দেখা যাচ্ছে। খবর ছড়াতেই সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

 

একজন স্থানীয় গাড়ি চালক বলেন,  

“আমরা ভেবেছিলাম যে তার মত কর্মকর্তার কাছ থেকে মুক্তি পেয়েছি। আবার যদি আগের মত হয়রানি শুরু হয়, তাহলে তো যানবাহন চালানোই মুশকিল হয়ে যাবে।”

ইনেসপেক্টর (টি আই) মতীনের দায়িত্ব পালনকারী এলাকায়‌ সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় তার ব্যক্তিগত পরিচিতজনেরা জনসাধারণের চলাচল করার ফুটপাত দখল করে মোটরসাইকেল পার্কিং করে  অফিস করছেন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত।

মহাখালী আন্তজেলা বাস টার্মিনালে সরজমিনে গিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানতে পারা যায় “ট্রাফিক ইন্সপেক্টর” টি আই মতিন রীতিমতো তাদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। পরিবহন শ্রমিক ও পরিবহনের চালক দের সাথে সর্বদা দুর্ব্যবহার করা গায়ে হাত তোলা কএবং ক্ষমতার অপব্যবহার খাটিয়ে তাদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করা টি আই মতিন এর কাছে সহজলভ্য বিষয় হয় দাঁড়িয়েছে।

 

“জনসাধারণ এ ধরনের ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর এর কাছ থেকে মুক্তি পেতে বাংলাদেশ ট্রাফিক পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে আন্তরিক অনুরোধ জানিয়েছেন। এর সঠিক তদন্ত করে টি আই মতিন কে বিচারে আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা