বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক: মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: ফের বাড়লো এলপিজির দাম : গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ: বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মিল্টন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর: তাহসিফের মৃত্যু, সেই তরুণী গ্রেপ্তার, দীপকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু: শ্রমিক বিক্ষোভ, আগুন: মেট্রোরেল বন্ধ! এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় অর্ধেক ফেল! পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ?: তাহসিফের ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই):

ছাত্রলীগের ‘পদধারী’ অনেকেই আন্দোলনে ছিলেন সবাইকে গ্রেপ্তারের পক্ষে নন: সারজিস

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেন নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও হলের পদধারী হলেই গণহারে গ্রেপ্তার করার পক্ষে নন তিনি

অনেককেই বাধ্য হয়ে ছাত্রলীগ করতে হয়েছে। তাঁদের অনেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছিলেন।

ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেছেন, তাঁর এই বক্তব্য শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্য বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তাঁর বিস্তারিত ধারণা নেই। তাই এই বক্তব্য যেন অন্য ক্ষেত্রে মেলানো না হয়।

২০১৯ সালের মার্চে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হল সংসদের সদস্যও নির্বাচিত হন তিনি। একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ছাত্র সারজিস আলম।

সারজিস তার পোষ্টে লেখেন, ‘একটা বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করতে চাই। বিষয়টা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে। ১ জুলাইয়ের আগে এবং তারপর ১ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে আন্দোলন চলমান ছিল, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। এই আন্দোলনটা প্রধানত ১৫ তারিখ (জুলাই) পর্যন্ত হলের ছেলেমেয়েরাই নিয়ে গিয়েছে। যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সম্পর্কে ধারণা রাখেন, তাঁরা খুব ভালো করে জানেন যে এখানে হলে থাকতে হলে অবশ্যই ছাত্রলীগ করতে হতো। তাদের প্রোগ্রাম (কর্মসূচি), গেস্টরুম (অতিথিকক্ষে ডেকে নেওয়া) করতে হতো, গণরুমে থাকতে হতো। সে জন্য যারা হলে থাকত, তাদের অধিকাংশ একপ্রকার বাধ্য হয়েই এসব করত।

হলে ছাত্রলীগের যে কমিটি হতো, এখানে প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী কমিটিতে থাকত কিছু কারণে; যেমন, ভালো একটা কক্ষ বা সিট যেন পাওয়া যায়, যেন চাকরি হওয়া পর্যন্ত হলে থাকা যায় ও অন্যরা যেন তার ওপর অন্যায় না করে বা ট্যাগ না দেয়। বাকি ২০ শতাংশের মধ্যে অনেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করত, অনেকে ভিন্নমতের লোকদের ওপর অত্যাচার করত, অনেকে ক্যান্ডিডেট (হল শাখার শীর্ষ পদপ্রত্যাশী) হতো, অনেকে একটু ফাঁপর নিয়ে চলত,’ যোগ করেন সারজিস আলম।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা