বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘মনে হচ্ছে আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের: নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-শিবির সংর্ঘষ, আহত ৫: এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন তানভীর গ্রেপ্তার: জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ: জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, উন্মুক্ত হচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকে: ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, পৌঁছবেন ২১ সেপ্টেম্বর: আমদানী রপ্তানি ঢাকা আঞ্চলিক অফিসে দূর্নীতির নীরব সিন্ডিকেট নেপথ্যে উপ-নিয়ন্ত্রক ওবায়দুল্লাহ : চিলমারী নদী বন্দর স্থাপন প্রকল্পে চলছে হরিলুট নেপথ্যে প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি শিপন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর পুনর্নির্বাচিত: মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোতে সন্দেহজনক ব্যাগ, স্টেশন বন্ধ:

গাজীপুরে বিভিন্ন দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

শনিবার (৯ নভেম্বর) গাজীপুরে টিএনজেড গ্রুপের পাঁচটি কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতন ও কারখানের উৎপাদন কার্যক্রম চালানোর দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এত সড়কের উভয়পাশে যানজটের সৃষ্টি হলে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে শ্রমিকরা গাজীপুর মহানগরীর মহাসড়ক অবস্থান করে বিক্ষোভ শুরু করে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘টিএনজেড গ্রুপের শ্রমিকরা সকাল থেকেই বকেয়া বেতন ও কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম চালানোর দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। তাদের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।

সকাল থেকে শ্রমিকরা কারখানার সামনে জড়ো হতে থাকেন। পরে ৯টার দিকে মালেকের বাড়ি, কলম্বিয়া মোড়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

কারখানাগুলো হলো- টিএনজেড অ্যাপারেলস লিমিটেড, বেসিক ক্লোথিং লিমিটেড, অ্যাপারেলস প্লাস ইকো, বেসিক নিটওয়্যার লিমিটেড, অ্যাপারেল আর্ট লিমিটেড।

গাজীপুরে টিএনজেড গ্রুপের পাঁচটি কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতন ও কারখানের উৎপাদন কার্যক্রম চালানোর দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এত সড়কের উভয়পাশে যানজটের সৃষ্টি হলে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে তারা গাজীপুর মহানগরীর মহাসড়ক অবস্থান করে বিক্ষোভ শুরু করেন।

সকাল থেকে শ্রমিকরা কারখানার সামনে জড়ো হতে থাকেন। পরে ৯টার দিকে মালেকের বাড়ি, কলম্বিয়া মোড়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

কারখানাগুলো হলো- টিএনজেড অ্যাপারেলস লিমিটেড, বেসিক ক্লোথিং লিমিটেড, অ্যাপারেলস প্লাস ইকো, বেসিক নিটওয়্যার লিমিটেড, অ্যাপারেল আর্ট লিমিটেড।

এ বিষয়ে গাজীপুরের শিল্পপুলিশের পরিদর্শক বায়োজিদ মিয়া জানান, টিএনজেড গ্রুপের আনুমানিক ১২০০ শ্রমিক মহাসড়কে অবস্থান করছেন। গত ২৩ অক্টোবর বেতন পরিশোধের কথা থাকলেও মালিকপক্ষ বেতন পরিশোধ করেনি। পরে গত ২৪ অক্টোবর সেনাবাহিনী, মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সেপ্টেম্বর মাসের বেতন চলতি মাসের ৩ নভেম্বর এবং অক্টোবর মাসের বেতন ২০ নভেম্বর পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেনি।

পরে আবার বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) টিএনজেড গ্রুপের জরুরি অফিস নোটিশে বকেয়া বেতন পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সেপ্টেম্বর মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা এদিন নিজ নিজ বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। অক্টোবর মাসের বেতন-ভাতা বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) পরিশোধ করা হবে। উপর্যুক্ত বিষয় বিবেচনা করে সকলকে শনিবার (৯ নভেম্বর) থেকে উৎপাদনকাজে মনোযোগী হয়ে কাজে করার জন্য বিশেষভাবে বলা হচ্ছে।

এদিকে, শনিবার টিএনজেড গ্রুপের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত জরুরি নোটিশ বলা হয়েছে, ‘আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি, সেই সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গত ৭ নভেম্বর পূর্বঘোষিত নোটিশের মাধ্যমে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকার পরেও গত সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতা অনিবার্য কারণে পরিশোধ করতে পারিনি। আশা করছি, আগামী মাসের কোনও একসময় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হবে।’

নোটিশে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘বর্তমানে কারখানায় বিদ্যুৎসংযোগ না থাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই শনিবার (৯ নভেম্বর) কারখানার কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই প্রথমে বিদ্যুৎসংযোগ স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, অতি শিগগির বিদ্যুৎসংযোগ স্থাপন করে কারখানার কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

কারখানার শ্রমিকরা বলেন, ‘গত এপ্রিল মাস থেকে কারখানা বন্ধ ছিল। সেপ্টেম্বরে কারখানা খুললেও দুই মাসের বেতন না দিয়ে কর্তৃপক্ষ সময় পার করছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বারবার বেতন পরিশোধের তারিখ দিলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছে না। বাধ্য হয়ে সড়ক অবরোধ করতে হয়েছে। গত দুই মাস ধরে বেতন দিই-দিচ্ছি বললেও এখন পর্যন্ত বেতন-ভাতা পাইনি। আমাদের বেতন না দিয়েই কারখানা বন্ধ রেখেছে। আমাদের দাবি মেনে নিলে মহাসড়ক ছেড়ে দেবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা