বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘মনে হচ্ছে আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের: নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-শিবির সংর্ঘষ, আহত ৫: এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন তানভীর গ্রেপ্তার: জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ: জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, উন্মুক্ত হচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকে: ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, পৌঁছবেন ২১ সেপ্টেম্বর: আমদানী রপ্তানি ঢাকা আঞ্চলিক অফিসে দূর্নীতির নীরব সিন্ডিকেট নেপথ্যে উপ-নিয়ন্ত্রক ওবায়দুল্লাহ : চিলমারী নদী বন্দর স্থাপন প্রকল্পে চলছে হরিলুট নেপথ্যে প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি শিপন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর পুনর্নির্বাচিত: মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোতে সন্দেহজনক ব্যাগ, স্টেশন বন্ধ:

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কালই মোড় থেকে রামকৃষ্ণপুর সড়কটির বেহাল অবস্থা:

মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:- মুনমুন ভুইয়া টুটুল:

দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কালই মোড় থেকে রামকৃষ্ণপুর সড়কটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। ভাঙ্গাচুড়ায় ভরা সাড়ে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় যাত্রী ও চালকদের। সড়কের মাঝখানে থাকা বড় বড় গর্তে পড়ে উল্টে যাচ্ছে অটোরিকশাসহ ছোট-বড় অসংখ্য যানবাহন। কিন্তু বিকল্প সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করছে হাজারো মানুষ।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কালই মোড় থেকে রামকৃষ্ণপুর পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সড়কের অসংখ্য স্থানে কার্পেটিং উঠে ইটের খোয়া ও পাথর সরে গিয়ে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় খানাখন্দ। এর মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যান, ইঞ্জিনচালিত যানবাহন, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে।

ছবি- মুনমুন ভূঁইয়া টুটুল 

এলাকার ভুক্তভোগী কয়েকজন বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে থেকেই কালই মোড় থেকে রামকৃষ্ণপুর পর্যন্ত রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের প্রধান সড়ক এটি। সর্বশেষ কত বছর আগে সড়কটি সংস্কার করা হয় তা অনেকেরই মনে নেই। এরপর মেরামত না করায় সড়কের প্রায় সবস্থানেই ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহন চলছে ধীরগতিতে।

এ সময় অটোরিকশাচালক আক্তার হোসেন বলেন- রাস্তা অনেক খানাখন্দ থাকায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এ রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে সুস্থ-সবল মানুষও অসুস্থ হয়ে যায়। অনেক সময় রিকশায় করে এই রাস্তা দিয়ে রোগী নিয়ে গেলে তাঁদের অবস্থা আরও আশংকা জনক হয়ে পড়ে। সড়কের ঝাঁকুনিতে গর্ভবতী নারীদের এই সড়কে চলাচল করতে খুবই অসুবিধা হচ্ছে।

স্কুল পড়ুয়া একাধিক শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হলে এই একমাত্র সড়কটি ব্যবহার করতে হয়। অতচ এই সড়কটি ব্যবহার করতে গিয়ে সঠিক সময়ে স্কুলে যাওয়ায় ব্যাঘাত ঘটে এবং মাঝে মাঝে তাদের পোশাক আশাক ও নষ্ট হয়ে যায়। হাটা চলা করা যায় না। পানির নিচে থাকা গর্তে রিকশার চাকা পড়ে রিকশা উল্টে যাচ্ছে। তাই প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে এই সড়কে চলাচল করতে হচ্ছে সবাইকে।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর এলাকাবাসী জানান- প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়েই আমাদের যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু রাস্তার এই বেহাল দশায় খুবই ভোগান্তি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ১০ মিনিটের রাস্তা যেতে সময় লাগে ২০-২৫ মিনিট।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোপালপুর গ্রামের কয়েকজন গ্রামবাসী বলেন, এই রাস্তা দিয়ে মাটি-বালির ট্রাক চলাচল করার কারনে রাস্তার অবস্থা বেশি খারাপ হয়েছে।

এই রাস্তাটি রামকৃষ্ণপুর এলাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তা। চরাঞ্চলের যত লোকজন তারা এই রামকৃষ্ণপুর ট্রলার ঘাটে নেমে এই রাস্তা দিয়েই ঝিটকা হাটে যায়। এ খানাখন্দ রাস্তায় যাতায়াতে এই এলাকার জনগণের খুবই কষ্ট এবং যানবাহনগুলো খুব ঝুঁকির মধ্যেই যাতায়াত করে।তাই জনস্বার্থে এই রাস্তাটি সংস্কার করার বিশেষ দাবি রেখেছে এই এলাকার জনগণ।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা