মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন নেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে: বাংলাদেশ ট্রান্সপোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিয়নের ম্যাগাজিন প্রকাশ : রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৩২: মহাখালীতে বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ: ধানমন্ডির এপেক্স ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে: এসএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ জন: ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ আগুন: সালমান শাহ হত্যা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে অভিনেতা ডন : বাংলাদেশের কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক অর্জন : রাষ্ট্রপতির আগে ‘মহামান্য’, প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের আগে ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা:

তিতুমীরের এক বিভাগে ৮০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৪ শিক্ষক, কাটে না সংকট:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগে ৮০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে রয়েছেন মাত্র চারজন শিক্ষক। অন্যদিকে পরিসংখ্যান ও সাইকোলজি বিভাগে ২৮০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক আছেন মাত্র দু’জন করে। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যায় শীর্ষস্থানীয় হলেও প্রতিষ্ঠানটিতে যেন সংকটের শেষ নেই। যাতায়াতের জন্য নেই পর্যাপ্ত পরিবহন ব্যবস্থা। লাইব্রেরীতে প্রয়োজনীয় বই না থাকা কিংবা বেহাল ক্যান্টিনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকা বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। 

বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর গড় অনুপাতের নূন্যতম মানদণ্ড ধরা হয় ১:২০। অর্থাৎ প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে শিক্ষক থাকতে হবে। সেই অনুপাতে সরকারি তিতুমীর কলেজের কোনও বিভাগেই পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। বেশি সংকট মনোবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগে। এক বিভাগে প্রতি ২০০ জনের জন্য আছেন একজন শিক্ষক।

 

সরেজমিনে জানা গেছে, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স মিলিয়ে প্রায় ৮০০ এর বেশি শিক্ষার্থী হলেও শিক্ষক মাত্র চারজন। শিক্ষকের পদ আছে আটটি। বিভাগের লেকচারার মো. ইমরান ইবনে রাজ্জাক বলেন, ‘সবকিছু সামলাতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে। কলেজ প্রশাসনকে বারবার বিষয় টা অবহিত করা হয়, তাঁরাও মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন, কিন্তু কোনও কাজ হয় না। বাকি চারটি পদও পূরণ করে যদি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো, তাতে আমরা কিছুটা স্বস্তি পেতাম। শিক্ষার্থীদের আরও মানসম্মত সার্ভিস দেওয়া যেত।

সুত্রঃ দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা