বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আসছে স্মার্ট সংবাদ শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ২০৪ জন ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ: সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি: সাইবার সুরক্ষা আইন পুনর্বিন্যাস: মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: ফের বাড়লো এলপিজির দাম : গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ: বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মিল্টন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর: তাহসিফের মৃত্যু, সেই তরুণী গ্রেপ্তার, দীপকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু: শ্রমিক বিক্ষোভ, আগুন: মেট্রোরেল বন্ধ! এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী:

রাতের আঁধারে ভারত পালালেন তিতাসের সাবেক ডিজিএম রনঞ্জয়:

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

অবশেষে গোপনে ভারতে পালিয়ে গেলেন তিতাস গ্যাসের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) রনঞ্জয় কুমার দত্ত। পিরোজপুরের কাউখালী শ্রীগুরু সংঘের দায়িত্ব অপর এক ভারতীয় নাগরিক রতন লাল করের ওপর ন্যস্ত করে অতি গোপনে আশ্রম ছাড়েন তিনি। এ নিয়ে ওই এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে তিনি আশ্রম ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

 

সূত্র জানায়, তিতাস গ্যাসের সাবেক ডিজিএম রনঞ্জয় ভারতের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও ত্রিশ বছর ধরে তিনি বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে ছিলেন। শুধু তা-ই নয়, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে বৈধ ও অবৈধভাবে অর্জিত শতকোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচার করেছেন। আর এই পাচারের টাকায় ভারতে গড়ে তুলেছেন ৬তলা বিলাসবহুল বাড়ি। কিনেছেন ফ্ল্যাট, একাধিক গাড়ি। গড়েছেন কয়েক একর সম্পত্তিসহ অঢেল সম্পদ।

 

 

 

এই ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন জানান একাধিক বাসিন্দা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন শুরু হলেও উপজেলা প্রশাসন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত কিংবা কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

 

এ বিষয়ে কাউখালী এলাকার বাসিন্দা পল্টু লাল বসু জানান, তিতাস গ্যাসের সাবেক ডিজিএম রনঞ্জয় দত্ত ভারতীয় নাগরিকত্ব গোপন রেখে শ্রীগুরু সংঘের সম্পাদক হয়েছেন। সংঘের নিয়মানুযায়ী, কোনো ভারতীয় বা বিদেশি নাগরিক পরিচালনা কমিটির সদস্য থাকতে পারবেন না। কিন্তু রনঞ্জন দত্ত ভারতীয় নাগরিকত্বের তথ্য গোপন করে কমিটির সম্পাদক হয়েছেন। এমনকি তার দুর্নীতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর আরেক ভারতীয় নাগরিক রতন লাল করের ওপর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়ে গোপনে ভারতে পালিয়ে যান।

 

 

 

এ বিষয়ে রতন লাল কর জানান, তিনি আসলেই ভারতীয় নাগরিক। বাংলাদেশে ব্যবসা করেন। তবে কী করে বাংলাদেশের আশ্রম পরিচালনা কমিটির সদস্য হলেন এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা