বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আসছে স্মার্ট সংবাদ শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ২০৪ জন ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ: সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি: সাইবার সুরক্ষা আইন পুনর্বিন্যাস: মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: ফের বাড়লো এলপিজির দাম : গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ: বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মিল্টন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর: তাহসিফের মৃত্যু, সেই তরুণী গ্রেপ্তার, দীপকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু: শ্রমিক বিক্ষোভ, আগুন: মেট্রোরেল বন্ধ! এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী:

জব্দ সম্পদ গোপনে বিক্রির অভিযোগ তারিক সিদ্দিকের বিরুদ্ধে:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

জব্দ সম্পদ গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে গুম-খুনের পলাতক আসামি তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধের। যিনি গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও গুম-খুনের মাস্টার মাইন্ড হিসেবে অভিযুক্ত। ক্রয় নথির চেয়ে গাজীপুরে তার পরিবারের দখলে থাকা জমি বহুগুণ বেশি। দাম নিয়েও আছে প্রতারণার আভিযোগ।

 

স্থানীয়রা জানান, গাজীপুরের ফাওকালে সুরক্ষিত তারিক সিদ্দিকের বাগানবাড়ির ভেতরে ডুপ্লেক্স ভবন, বিশাল পুকুর ও গাছপালা। বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা ও টাকশালের পাশেই তাঁর সম্পদ অন্তত ২২ বিঘা। কিন্তু নথিতে জমি মাত্র পাঁচ বিঘা।

 

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জানান, গাজীপুর সদরের বাঙ্গালগাছায় তারিক সিদ্দিকীর ভাই রফিক সিদ্দিকের নামে আরেকটি বাগানবাড়ি রয়েছে। বিশাল এ বাড়িটি নথিতে ৭৮ শতাংশ হলেও দখলে ১০ গুণেরও বেশি।

 

গাজীপুরের কানাইয়া ভূমি অফিসের তথ্যমতে, টিউলিপস টেরিটরির ২ একর ৬৩ শতাংশ জমির মালিক তাঁর আরেক ভাই শফিক আহমেদ সিদ্দিক। যা শেখ রেহানার বাড়ি নামেই পরিচিত।

 

 

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নথি বলছে, গাজীপুরে তারিক সিদ্দিকের বাগানবাড়ি দুটি। ঢাকার গুলশানে একটি সাত তলা বাড়ি। বসুন্ধরায় তিনটি প্লট তাঁর ও স্ত্রীর নামে। বারিধারায় চারটি ফ্ল্যাট ও একটি ফ্ল্যাটের একাংশ। গাজীপুরে আরেকটি সাত তলা বাড়ির চার ভাগের এক ভাগ। এ ছাড়াও গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে তারিক দম্পতির ৪৮ বিঘা জমি।

 

৫ আগস্টের পর গুম-খুনের পতালক আসামি তারেক সিদ্দিকের গাজীপুরের জমি গোপনে বিক্রির কথা জানান স্থানীয়রা।

 

 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কোনো সরকারি চাকরিজীবীর এত সম্পদ সন্দেহজনক। এরই মধ্যে জব্দ সম্পদ বিক্রির তথ্য দ্রুত খতিয়ে দেখা দরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা