শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আসছে স্মার্ট সংবাদ শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ২০৪ জন ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ: সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি: সাইবার সুরক্ষা আইন পুনর্বিন্যাস: মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: ফের বাড়লো এলপিজির দাম : গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ: বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মিল্টন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর: তাহসিফের মৃত্যু, সেই তরুণী গ্রেপ্তার, দীপকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু: শ্রমিক বিক্ষোভ, আগুন: মেট্রোরেল বন্ধ! এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী:

লাজফার্মাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অভিযোগ করে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা পেলেন ভোক্তা:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

খুলনার সোনাডাঙ্গা লাজফার্মা থেকে ভেজাল ও নকল ওষুধ কিনে প্রতারিত হয়েছিলেন মো: সাইফুল্লাহ আল রাব্বি। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে খুলনার রয়্যাল মোড়ে অভিযান চালিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন। সেই জরিমানার ২৫ শতাংশ টাকা তুলে দেওয়া হল অভিযোগকারীকে।

 

বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: ফিরোজ সরকার অভিযোগকারী মো: সাইফুল্লাহ আল রাব্বির হাতে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিকার খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম সহ অন্যান্যরা।

 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার দপ্তর খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম বলেন, এ বছরের মে মাসে মো: সাইফুল­াহ আল বাব্বি নামে একজন ভোক্তা তার মায়ের জন্য চুলকানি নিরাময়ের জন্য একটি লোশন ক্রয় করেন। যেটি ফিলিপাইনের তৈরি বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আসলে পণ্যটি ঝিনাইদহের একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের তৈরি। সন্দেহ হলে তিনি বিষয়টি ওই মাসের ৩১ তারিখে ভোক্তা অধিকারে লিখিত অভিযোগ জানায়।

 

এ অভিযোগের ভিত্তিতে কার্যালয়ে ৩টি শুনানী হয়েছে। শুনানী শেষে ১৮ আগষ্ট খুলনা রয়্যাল মোডে লাজ ফার্মায় অভিযান চালায় ভোক্ত অধিকার। ওষুধসহ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এডোরাবেলা হেলথকেয়ারের প্রতিনিধি মো: তানভীর আহমেদ পলাশকে নকল ও ভোজাল ওষুধসহ ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা ধরে ফেলে। পরবর্তীতে লাজ ফার্মাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

 

পরে উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলে উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ধরা ৪১, ৪৪ ও ৫০ অনুযায়ি ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা আদায় করা হয়। বুধবার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৭৬(৪) ধারা অনুযায়ী ২৫% হিসেবে অভিযোগকারীর হাতে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয় এবং বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়।

 

সুত্রঃ খুলনা গেজেট 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা