বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার কৃষিবিদ ইসরাতুল আলম (কিরণ), পুলিশ বলছে তদন্ত চলছে: বাংলাদেশের রূপান্তরের স্থপতি: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: শ্রীপুরে ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সঙ্গে জামায়াতের সাবেক নেতার পরকীয়া ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ স্বামীর: ঈদে ৭ দিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক-শেয়ারবাজার: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ: পবিত্র ঈদুল আজহা আজ: ৬০ কিলোমিটারে দীর্ঘ যানজট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে: এসির গ্যাস লিকেজ হয়ে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু: জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর মাসুদ রানা যেভাবে পরিচালক পদ বাগালেন:

ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে যেসব জেলা:

রিপোর্ট : আবহাওয়া ডেস্ক :

 

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর সারা দেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই কম্পনে দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছেন।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ভূমিকম্পের ঝুঁকি বিবেচনায় সমগ্র দেশকে মোট ৩টি জোনে ভাগ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই জোনগুলোর মধ্যে কিছু এলাকা সর্বোচ্চ ঝুঁকির আওতায় রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত মানচিত্রে দেখা যায়, দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা জোন-১-এর আওতায় সর্বোচ্চ ঝুঁকিপ্রবণ হিসাবে চিহ্নিত।

ফল্ট লাইন বা প্লেট বাউন্ডারির কাছাকাছি থাকায় এই অঞ্চলগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। এই সর্বোচ্চ ঝুঁকির আওতাভুক্ত অঞ্চলগুলো হলো: সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের ৯টি জেলা।ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও নরসিংদীর কিছু অংশ এবং পুরো কিশোরগঞ্জ।কুমিল্লা বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া।পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির নানা এলাকা।অন্যদিকে, জোন–৩ এলাকাভুক্ত খুলনা, যশোর, বরিশাল ও পটুয়াখালীর মতো অঞ্চলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম।ঢাকায় ভয়াবহ বিপর্যয়ের শঙ্কা।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, শুক্রবারের ভূমিকম্পটি ঢাকা থেকে খুব কাছে (নরসিংদীর মাধবদী) এবং গত কয়েক দশকের মধ্যে শক্তিশালী হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ তীব্র কম্পন অনুভব করেছেন। রাজধানীজুড়ে প্রায় ২১ লাখ ৪৬ হাজার ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নগর সংস্থাগুলো। এসব ভবনের বেশিরভাগই নির্মাণ হয়েছে নিয়মকানুন না মেনে বা দুর্বল ভিত্তির ওপর।

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি ও জাইকার এক যৌথ জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকায় সাত বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হলে শহরের ৭২ হাজার ভবন ভেঙে পড়বে এবং ১ লাখ ৩৫ হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তৈরি হবে প্রায় সাত কোটি টন কনক্রিটের স্তূপ।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “এবারের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকার একেবারে কাছেই ছিল, ফলে অনুভূত হয়েছে অনেক বেশি।

এ ধরনের ভূমিকম্পের সম্মুখীন ঢাকা ও আশপাশের এলাকা আগে কখনো হয়নি।” তিনি বলেন, ৫ মাত্রার চেয়ে ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের কম্পনের প্রবণতা ১০ গুণ বেশি। এই ভূমিকম্পের প্রবণতা বা তীব্রতা অন্তত ১০০ কিলোমিটার রেডিয়াসে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্ডিয়ান প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট, মিয়ানমার সাবপ্লেট এবং ডাউকি ফল্টসহ একাধিক ফল্টের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান হওয়ায় ভৌগোলিকভাবেই এই অঞ্চল উচ্চ ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা