রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে সকাল নয়টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে।
বিএনপিতে একজন পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি দলটির বাইরে রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং জনগণের মাঝে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ইতিবাচক ভাবমূর্তি ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে মনে করে দলটি।
তাদের মতে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনের সময়টাতে দমন-পীড়ন, নির্যাতনে বার বার বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল বিএনপি। দলটির শীর্ষ নেতা খালেদা জিয়াকে বয়সের শেষ প্রান্তে কারাগারে থাকতে হয়েছে। তাদের আরেক শীর্ষ নেতা তারেক রহমান ছিলেন লন্ডনে নির্বাসিত জীবনে। শীর্ষ দুই নেতার অনুপস্থিতিতে লম্বা সময় ধরে বিএনপির সংকটে এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে দেশের ভেতরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই ছিলেন দৃশ্যমান মূল নেতৃত্বে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের শাসনের সময় দলটির মনোনয়নে নির্বাচিত ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন।
২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে বিশেষ বৈঠকে সংসদ সদস্যদের ভোটাভুটির মাধ্যমে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন হবে। এজন্য গতকাল সংসদ ভবনে উচ্চপর্যায়ের প্রস্তুতিমূলক সভা হয়।
ওই সভা শেষে সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ ভোট দিলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার সংসদ সদস্য পদ খারিজ হয়ে যাবে।