শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা আব্দুল আজিজ: মিরপুর- ১৩, বিআরটিএ’র মালিকানা বদল শাখার কর্মকর্তা মোহাম্মদ রঞ্জুর দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে এখনও কোন ব্যবস্থা নেননি কর্তৃপক্ষ, কারণটি রহস্যজনক : নিত্যপণ্যের ট্যাক্স কমানো বাজেটও বিরোধী দলের ভালো লাগে না: প্রধানমন্ত্রী: কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী: ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর: এসআইসহ তিন পুলিশ প্রত্যাহার, আটক ১: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালকের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ তহবিল হরিলোটে অভিযোগ, দুর্নীতি ও অনিয়মের জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া দরকার : রাজধানীর হাতিরঝিলে শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশ দুর্বৃত্তদের হামলায় গুলিবিদ্ধ: ৪০ পরিবারের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ লুটপাট, দখল ও নির্যাতনের অভিযোগে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি: হাজারীবাগে সাংবাদিকের উপর হামলা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার: শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড:

অর্থের বিনিময়ে দলবদল, এখন পল্লবীতে ত্রাসের রাজত্ব ছাত্রদল নেতা সোহেলের:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

অর্থের বিনিময়ে দলবদল হয়ে ছাত্রদলের আহ্বায়ক চাস্তানি সোহেলের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে পল্লবী থানার এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।  

 

রাজধানীর পল্লবীতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের আতঙ্কের নাম চাপ্তানি সোহেল পল্লবী থানার ছাত্রদলের আহ্বায়ক হওয়ার পর থেকে বিভিন্নস্থানে জায়গা দখলবাজি, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন মানুষকে ফোন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে চাপ্তানি সোহেল। তার আতঙ্কে ব্যবসায়ী সহ সাধারণ মানুষ থাকতে পারছে না পল্লবী এলাকায়।

অভিযোগে জানা গেছে, স্বৈরাচারী আ’লীগের সরকারের আমলে চাপ্তানি সোহেল ছাত্রলীগের রাজনীতি করতো। সেই সময় রাজনীতির পাওয়ার দেখিয়ে অবৈধভাবে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্গের চাঁদা হাতিয়ে নিতো সোহেল । এখন আবার সেই সোহেল এলাকার বিএনপি নেতা কে মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে পল্লবী থানার ছাত্রদলের আহ্বায়ক পদটি চাপ্তানি সোহেল পেয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই সোহেল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পল্লবী বিভিন্ন এলাকায় দখলবাজি, চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্মীর সাথে জড়িত ছিল।

 

এইসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের হোতা হিসেবে পরিচিত ছিল তার নাম চাপ্তানি সোহেল। এই বেহারী সোহেল একসময় কাঙ্গালীর মত ঘুরতো সেই সোহেল এখন কোটি কোটি টাকার মালিক বলে জানা গেছে।

তার বড় ভাই আমদানি ওরফে রনি একজন বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী বলে এলাকাবাসীদের একাধিক অভিযোগে জানা গেছে। প্রায় সময় মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি হত। মাদককের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে এদিকে গত ৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক রাত বারোটার দিকে আমদানি রনি তার সহযোগী হৃদয় ওরফে দাইয়া সহ তার বাহিনী নিয়ে প্রতিপক্ষর মাদক ব্যবসায়ীর সাথে টাকা পয়সার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজনদের হামলায় সোহেল, আমদানি রনি ও হৃদয় আহত হয়।

 

স্থানীয় বিএনপি নেতার নির্দেশে পল্লবী থানায় সাধারণ মানুষের নামে আহতরা মামলা করেন। সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করলেও পল্লবী থানার পুলিশ তাদের কথা কিছু শুনেনি।

 

বিহারী সোহেল কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার কারণে তার ভাবি টোয়োটা ব্রান্ডের (সিএইচ আর)  গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ায় এবং সে নিজেও একজন বিশিষ্ট মাদক ব্যবসায়ী ।

 

সোহেল এবং তার ভাই আমদানি ওরফে রনি মাদক ব্যবসাও চাঁদাবাজির সাথে জড়িত থাকা সত্ত্বেও এলাকার লোকজন কিছু করতে পারছেন না। এর কারণ হচ্ছে অসাধু বিএনপির কিছু নেতারা ও প্রশাসনিক লোকজন তাদেরকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণে তারা একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, তারা আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে যেভাবে অত্যাচার করেছে। এখন তারা ছোলোম পাল্টিয়ে বিএনপির লোকজনদের সাথে ঘোরাফেরা করে তাদের অপকর্ম আবার চালিয়ে যাচ্ছে। সোহেলের বিরুদ্ধে স্থানীয় সাধারণ জনগণ কিছু করতে পারছে না কারণটা হলো অনেক টাকা বিনিময়ে পল্লবী থানার আহবায়ক হয়েছে। তাকে মিল্লাত ক্যাম্প বাসিরা অনুসন্ধানকারী প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করে বলেন, মিল্লাত ক্যাম্প থেকে প্রত্যেক সপ্তাহে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে সোহেল বাহিনীকে। চাঁদার টাকা না দিলে ক্যাম্প বাসিকে উচ্ছেদ করে দিবে বলে হুমকি দেয়। তাই ক্যাম্প বাসিরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

 

এদিকে পল্লবীতে মাদককের টাকা ভাগাভাগি জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত পল্লবী থানা ছাত্রদলের আহবায়ক সোহেল ও তার আপন বড় ভাই আমদানি উরফে রনি ও তার অনুসারী হৃদয় উরফে দাইয়া ৩ সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ১১-১২ টার দিকে মিরপুরের মিল্লাত ক্যাম্পে অবৈধ মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মারামারি ঘটনা ঘটে সূত্রমতে জানা পল্লবী থানা ছাত্রদলের আহবায়ক সোহেল পল্লবী থানা ছাত্রদলের আহবায়ক হওয়ার পর থেকে পল্লবীতে নিজের অবস্থান জানান দিতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা মাধ্যমে পল্লবী তে নিজের বড় বড় ব্যানার ও ফেস্টুন করছে যা পল্লবী জনসাধারণের মাঝে বিএনপির প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা