রিপোর্ট : শাহাজাহান মিয়া (শাকিল) :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের শের-ই-বাংলা নগর দক্ষিণ থানার পশ্চিম রাজাবাজার ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি ও রুকন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক,স্থানীয় হোমিও চিকিৎসক মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহকে সোমবার দিবাগত রাতে পশ্চিম রাজাবাজারের বাসার গ্রিল কেটে একদল দূর্বৃত্ত প্রবেশ করে হাত পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।
সন্ত্রাসীরা তার বাসার স্বর্নালংকার, টাকা সহ বহু মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায় । তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ মেয়ে ও ১ ছেলে সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন । আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩ টায় পশ্চিম রাজাবাজার মসজিদ প্রাঙ্গণে তার ১ম সালাতুল জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ী কুমিল্লার লাকসামে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ২য় সালাতুল জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয় ।
মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
এক যৌথ শোকবাণীতে মহানগরী নেতৃদ্বয় বলেন, ‘মরহুম মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের সম্মুখ সারির যোদ্ধা। তিনি ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে দেশকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখতেন এবং জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সে লক্ষ্যে অবিচাল ও আপসহীন ছিলেন। তিনি একজন সমাজসেবক ও স্বজ্জন ব্যক্তি হিসাবে সমাজে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন। তার নির্মম হত্যাকাণ্ডে আমরা একজন নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধাকে হারালাম’।
নেতৃদ্বয় মরহুমের হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দুর্বৃত্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতির উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন সাম্প্রতিক সময়ে দুইটি রাজনৈতিক নেতার হত্যার ঘটনা দু:খজনক। দ্রুততম সময়ে হত্যার কারণ উদঘাটন করা, দায়ীদের আটক এবং শাস্তি করতে হবে।না হয় মানুষ অন্তবর্তীকালীন সরকারের উপর আস্থা হারাবে।