শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আসছে স্মার্ট সংবাদ শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ২০৪ জন ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ: সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি: সাইবার সুরক্ষা আইন পুনর্বিন্যাস: মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: ফের বাড়লো এলপিজির দাম : গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ: বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মিল্টন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর: তাহসিফের মৃত্যু, সেই তরুণী গ্রেপ্তার, দীপকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু: শ্রমিক বিক্ষোভ, আগুন: মেট্রোরেল বন্ধ! এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী:

রিমান্ডে নতুন তথ্য দিচ্ছেন মুনতাহা’র খুনিরা:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিলেটে আলোচিত মুনতাহা আক্তার জেরিন (৬) হত্যা মামলায় সাবেক গৃহ শিক্ষিকা মার্জিয়াসহ চার আসামির ৫ দিনের রিমান্ড চলছে। গত সোমবার (১১ নভেম্বর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শামসুল আরেফিন জিহাদ ভূঁইয়া ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ৪ এর বিচারক কাজী মো. আবু জাহের বাদল ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জানা যায়, রিমান্ড চলাকালে বেশ কিছু নতুন তথ্য দিয়েছেন আসামিরা।

নিখোঁজের আটদিন পর গত রবিবার (১০ নভেম্বর) ভোরে সিলেটের কানাইঘাটে অপহৃত শিশু মুনতাহা মরদেহ পাওয়া যায় বাড়ির পাশে। হত্যার পর বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত ডোবা থেকে লাশ সরানোর সময় প্রতিবেশী নারীকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

নিহত মুনতাহা কানাইঘাট সদরের বীরদল ভাড়ারিফৌদ গ্রামের শামীম আহমদের মেয়ে।

এ হত্যা মামলার আসামিরা হলেন, কানাইঘাট থানার বীরদল ভাড়ারীফৌদ গ্রামের মৃত ময়না মিয়া আলিফজান (৫৫) ও তার মেয়ে শামীমা বেগম মার্জিয়া (২৫), একই এলাকায় ইসলাম উদ্দিন (৪০) ও নাজমা বেগম (৩৫)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামসুল আরেফিন জিহাদ ভূঁইয়া জানান, থানা হাজতে রেখে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ৫ দিনের রিমান্ড শেষ হলে আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে। ইতোমধ্যে কিছু তথ্য দিয়েছেন আসামিরা। তদন্তের স্বার্থে তা বলা যাচ্ছে না।

নিখোঁজের ঘটনায় মুনতাহার বাবা শামীম আহমদ শনিবার (৯ নভেম্বর) কানাইঘাট থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অপহরণ মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (১১ নভেম্বর) হত্যার ধারা সংযুক্ত করেন বিচারক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা