বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার কৃষিবিদ ইসরাতুল আলম (কিরণ), পুলিশ বলছে তদন্ত চলছে: বাংলাদেশের রূপান্তরের স্থপতি: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: শ্রীপুরে ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সঙ্গে জামায়াতের সাবেক নেতার পরকীয়া ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ স্বামীর: ঈদে ৭ দিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক-শেয়ারবাজার: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ: পবিত্র ঈদুল আজহা আজ: ৬০ কিলোমিটারে দীর্ঘ যানজট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে: এসির গ্যাস লিকেজ হয়ে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু: জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর মাসুদ রানা যেভাবে পরিচালক পদ বাগালেন:

রিমান্ডে নতুন তথ্য দিচ্ছেন মুনতাহা’র খুনিরা:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

সিলেটে আলোচিত মুনতাহা আক্তার জেরিন (৬) হত্যা মামলায় সাবেক গৃহ শিক্ষিকা মার্জিয়াসহ চার আসামির ৫ দিনের রিমান্ড চলছে। গত সোমবার (১১ নভেম্বর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শামসুল আরেফিন জিহাদ ভূঁইয়া ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ৪ এর বিচারক কাজী মো. আবু জাহের বাদল ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জানা যায়, রিমান্ড চলাকালে বেশ কিছু নতুন তথ্য দিয়েছেন আসামিরা।

নিখোঁজের আটদিন পর গত রবিবার (১০ নভেম্বর) ভোরে সিলেটের কানাইঘাটে অপহৃত শিশু মুনতাহা মরদেহ পাওয়া যায় বাড়ির পাশে। হত্যার পর বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত ডোবা থেকে লাশ সরানোর সময় প্রতিবেশী নারীকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

নিহত মুনতাহা কানাইঘাট সদরের বীরদল ভাড়ারিফৌদ গ্রামের শামীম আহমদের মেয়ে।

এ হত্যা মামলার আসামিরা হলেন, কানাইঘাট থানার বীরদল ভাড়ারীফৌদ গ্রামের মৃত ময়না মিয়া আলিফজান (৫৫) ও তার মেয়ে শামীমা বেগম মার্জিয়া (২৫), একই এলাকায় ইসলাম উদ্দিন (৪০) ও নাজমা বেগম (৩৫)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামসুল আরেফিন জিহাদ ভূঁইয়া জানান, থানা হাজতে রেখে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ৫ দিনের রিমান্ড শেষ হলে আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে। ইতোমধ্যে কিছু তথ্য দিয়েছেন আসামিরা। তদন্তের স্বার্থে তা বলা যাচ্ছে না।

নিখোঁজের ঘটনায় মুনতাহার বাবা শামীম আহমদ শনিবার (৯ নভেম্বর) কানাইঘাট থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অপহরণ মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (১১ নভেম্বর) হত্যার ধারা সংযুক্ত করেন বিচারক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা