বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার কৃষিবিদ ইসরাতুল আলম (কিরণ), পুলিশ বলছে তদন্ত চলছে: বাংলাদেশের রূপান্তরের স্থপতি: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: শ্রীপুরে ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সঙ্গে জামায়াতের সাবেক নেতার পরকীয়া ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ স্বামীর: ঈদে ৭ দিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক-শেয়ারবাজার: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ: পবিত্র ঈদুল আজহা আজ: ৬০ কিলোমিটারে দীর্ঘ যানজট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে: এসির গ্যাস লিকেজ হয়ে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু: জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর মাসুদ রানা যেভাবে পরিচালক পদ বাগালেন:

বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’, ভয়াবহ তাণ্ডবের আশঙ্কা:

 রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে শক্তিশালী নতুন ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’। এটি ২৪ থেকে ২৬ মে’র মধ্যে খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলে তাণ্ডব চালাতে পারে। একই সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলও তছনচ করে দিতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।

 

রোববার (১১ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে এমন তথ্য দেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ মোস্তফা কামাল পলাশ।

 

পোস্টে তিনি লিখেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এটি ২৪ থেকে ২৬ মে’র মধ্যে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। সম্ভাব্য আঘাতের এলাকা ভারতের ওড়িশা উপকূল থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের খুলনা বিভাগ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল।

 

এতে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম-খুলনার প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ।

বর্তমানে বঙ্গোপসাগরের যে পরিবেশ তাতে ঘূর্ণিঝড়টির সৃষ্টি হওয়ার খুব বেশি সময় নেই বলেও জানান আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ। তিনি বলেন, পরিস্থিতি যেমন যাচ্ছে, এতে করে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। তাই সবাইকে আগাম সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান তিনি।

 

এর আগে, বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছিল, ১৬ থেকে ১৮ মে’র মধ্যে সাগরে একটি সার্কুলেশন তৈরি হতে পারে। এরপর সেটি ধাপে ধাপে লঘুচাপ, নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি যদি বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসে, তাহলে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া, ভারি বৃষ্টি এবং জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা রয়েছে। এতে মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়বে। তাই স্থানীয় প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ আগাম প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে উপকূলীয় এলাকার মানুষদের। বিশেষ করে মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাগুলোকে নিরাপদ স্থানে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

 

এছাড়া ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার শঙ্কায় যে কোনো সময় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা