রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোতে সন্দেহজনক ব্যাগ, স্টেশন বন্ধ: ডিএমপির ৩ থানায় নতুন ওসি: শাপলা চত্বরে গণহত্যার মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ: সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের উদ্যোগে পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত: চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার: অর্ধশতাধিক মানুষকে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে উধাও, অভিযুক্ত শাওন ও জাহাঙ্গীর: বিআরটিএ’র মেট্রো সার্কেল-১, লাইসেন্স বোর্ডের দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগের দোসর জিয়া বহাল তবিয়তে ! অঢেল সম্পদ গড়েছেন, দালাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের টাকা : স্কুল ব্যাগ পেয়ে হাসিমুখে শ্রেণিকক্ষে পঞ্চপল্লীর প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: গুলিস্থানের আন্তঃজেলা বাস কাউন্টার বন্ধ থাকায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দূর্ভোগ চরমে: মিরপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবদল কর্মী খুন, আহত ২:

গুজরাটে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত বেড়ে প্রায় ৩০০:

রিপোর্ট : আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

 

ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে স্মরণকালের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ জন নিহত হয়েছেন। বিমানে থাকা ২৪২ আরোহীর মধ্যে ২৪১ জনই নিহত হয়েছেন। বিমানটি আছড়ে পড়েছিল সেখানকার বিজে মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে। এতে সেখানেও ৫০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন।

গুজরাটের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা বিধি চৌধুরী বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, “দুর্ঘটনায় প্রায় ২৯৪ জন নিহত হয়েছেন। এতে কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে। যারা মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে ছিলেন।”

 

 

ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিভাবে বেঁচে গেছেন এক যাত্রী। পুলিশ কর্মকর্তা বিধি চৌধুরী জানিয়েছেন, এই যাত্রী বিমানের জরুরি বহির্গমন দরজার পাশের ১১-এ আসনে বসা ছিলেন। এ কারণে হয়ত তিনি বেঁচে গেছেন।” বিধি বলেছেন, হাসপাতালে হয়ত দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া অন্য আরও কেউ থাকতে পারেন।

আহমেদাবাদ পুলিশের প্রধান জি এস মালিক জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২০০টিরও বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যারমধ্যে বিমানের যাত্রী ছাড়াও ওই মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের মরদেহ আছে। এছাড়া নিহতদের মধ্যে আছেন গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি।

 

ভারতের স্বাস্থ্য সচিব ধনঞ্জয় দ্বিবেদী বিমানে থাকা যাত্রী ও ওই ছাত্রাবাসে থাকা শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ সেম্পল দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। যেন মরদেহগুলো শনাক্ত করা যায়।

বিমানটি মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে আছড়ে পড়ার পর টুকরো টুকরো হয়ে যায়। এটির লেজের অংশটি ছাত্রাবাসের একটি ভবনের ছাদে এখনো পড়ে আছে।

 

বিমানটি ছিল বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার। যা বিশ্বের অন্যতম আধুনিক বিমান। এর আগে বোয়িংয়ের এ মডেলের বিমান কখনো বিধ্বস্ত হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা