শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আসছে স্মার্ট সংবাদ শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ২০৪ জন ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ: সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি: সাইবার সুরক্ষা আইন পুনর্বিন্যাস: মিরপুরে পোশাকশ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: ফের বাড়লো এলপিজির দাম : গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ: বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক মিল্টন, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর: তাহসিফের মৃত্যু, সেই তরুণী গ্রেপ্তার, দীপকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু: শ্রমিক বিক্ষোভ, আগুন: মেট্রোরেল বন্ধ! এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী:

বাগেরহাটে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :

 

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ‘সজিব তরফদার’ কে আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার বাগেরহাট-রামপাল আঞ্চলিক সড়কের মির্জাপুর আমতলা মসজিদের সামনে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল সন্ত্রাসীরা।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার ‘মো. তৌহিদুল আরিফ’ হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন গণমাধ্যমের কাছে।

পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল আরিফ বলেন, ‘ধারণা করছি, শটগান দিয়ে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে সজীবের মাথায় চারটি গুলি করা হয়েছে।

নিহত সজিব তরফদার ডেমা গ্রামের মৃত সিদ্দিক তরফদারের ছেলে। তিনি ডেমা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য।

এলাকাবাসী জানান, ডেমা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে চাচা কামাল তরফদারকে সঙ্গে নিয়ে দুপুরে মোটরসাইকেলে করে বাগেরহাট-রামপাল সড়ক দিয়ে বাগেরহাট শহরে যাচ্ছিলেন সজীব। দুপুর ২টার দিকে পাশের গ্রাম মির্জাপুরের আমতলা মসজীদের সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাদের থামিয়ে সজীবকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এসময় গুলিতে আহত হন সজীবের চাচা কামাল। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সজীবের স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তান রয়েছেন। সজীব তরফদার ডেমা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তিনবার সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

হত্যাকণ্ডের তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। তারা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যা, এর পেছনে যারা রয়েছে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

সজিবের বড় ভাই নাজমুল তরফদার বলেন, ‌‘সজিব বাড়ি থেকে বাগেরহাটে যাচ্ছিল। সঙ্গে চাচা ছিলেন। হামলার খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে দেখি আমার ভাইয়ের মাথায় চারটি গুলি লেগেছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যা করেছে। আমরা হত্যাকারীদের বিচার চাই।

বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সৈয়দ নাসির আহমেদ মালেক বলেন, ‘সজিব তরফদার জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। সে কারণেও তার প্রতিপক্ষরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল আরিফ বলেন, ‘ধারণা করছি, শটগান দিয়ে গুলি করে তাকে (সজিব তরফদার) হত্যা করা হয়েছে। হত্যা নিশ্চিত করতে একাধিক দল ছিল, হত্যাকারীরা মুখোশ পড়া ছিল। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। খুব দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা