রিপোর্ট : ওয়াসি উল কবির (বাবু) :
ভাটারা থানার জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এবং বিএনপির পক্ষ থেকে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ‘মুস্তাফিজুর রহমান রোমান’।
এই যুবদলের নেতার উপরে অতর্কিতভাবে সন্ত্রাসী হামলা চালায় স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এই সন্ত্রাসী হামলায় নেতৃত্ব দেয় ভাটারা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সংগঠনিক সম্পাদক এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
এর আগে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বিএনপির পক্ষ থেকে নেতৃত্বে দেওয়ার কারণে এই যুবদল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
শুক্রবার ( ১৫ নভেম্বর ) ‘মোস্তাফিজুর রহমান রোমান’ তেজগাঁর উদ্দেশ্যে ভাটারায় অবস্থিত নিজ বাড়ি থেকে বেড় হয়ে নূরানী মসজিদ রোড সংলগ্ন পাটোয়ারী গলির সামনে আসলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার পথ আটকায় এবং অযথাই তর্ক বিতর্ক শুরু করে। তর্ক বিতর্কের এক পর্যায় হঠাৎ করে সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দ্বারা তার উপরে দলবদ্ধ হয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে। এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর যখন হয় এবং প্রচন্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এই সুযোগে সন্ত্রাসীরা তার পকেটে থাকা (দশ হাজার ইউ এস ডলার) এবং দশ হাজার বাংলাদেশি টাকা ও হাত থাকা দামি ব্রান্ডের ঘড়ি যার মূল্য আনুমানিক ( ১৫,০০০/-) হাজার টাকা, সন্ত্রাসীরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা যাবার সময় তাকে শাসিয়ে যায় যদি পুলিশকে জানাস বা থানায় মামলা করিস তাহলে তোকে প্রাণে মেরে ফেলবো।
পরবর্তীতে জানা যায় স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এ নিয়ে যায়। আপাতত সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এ বিষয়ে ‘মোস্তাফিজুর রহমান রোমান’ বাদি হয়ে ভাটারা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।