রিপোর্ট : আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
শীতের প্রান্ত ছুঁয়ে, এক উজ্জ্বল বসন্তের ভোরে কানাডা আবারও তার গণতন্ত্রের সূর্য উন্মোচিত করল। ২০২৫ সালের ফেডারেল নির্বাচন ছিল কেবল আরেকটি নির্বাচন নয়, ছিল জাতীয়তাবাদী আবেগের পুনর্জাগরণ, আন্তর্জাতিক চাপের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রত্যয়, আর নেতৃত্বের রূপান্তরের এক ঐতিহাসিক ক্ষণ। নির্বাচনের ফলাফল, পরবর্তী সরকার গঠন এবং সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মিলিয়ে কানাডা এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল, যার দায়িত্ব এখন মার্ক কার্নির নেতৃত্বে গঠিত লিবারেল পার্টির সংখ্যালঘু সরকারের হাতে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা না হয়েও লিবারেল হাসছে বিজয়ের হাসি
লিবারেল পার্টি ১৬৭টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হলেও, তাদের অবস্থান ছিল দৃঢ় এবং সম্মানজনক। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ছিল ১৭২টি আসন। কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১৩৩টি আসন, ব্লক কিউবেকোয়া ২১টি আসন, এনডিপি মাত্র ৫টি আসন এবং গ্রিন পার্টি ১টি আসন। ফলাফল ইঙ্গিত দেয়, জনগণ পরিবর্তন চেয়েছিল, কিন্তু বিপ্লব নয়। তারা চেয়েছিল আরও স্থিতিশীল, আরও প্রতিরোধী এক কানাডা।
কেন লিবারেল দলকে আবারও বেছে নিলো জনগণ
২০২৫ সালের নির্বাচনে কানাডার জনগণ লিবারেল পার্টিকে পুনরায় নির্বাচিত করেছে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে: প্রথমত, ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্ভাব্য অশান্ত সম্পর্কের আশঙ্কা কানাডিয়ানদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগিয়ে তোলে। মার্ক কার্নির নেতৃত্বে লিবারেল পার্টি ট্রাম্পের হুমকির বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেয়, যা অনেক ভোটারকে তাদের দিকে আকৃষ্ট করে।