বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার কৃষিবিদ ইসরাতুল আলম (কিরণ), পুলিশ বলছে তদন্ত চলছে: বাংলাদেশের রূপান্তরের স্থপতি: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: শ্রীপুরে ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সঙ্গে জামায়াতের সাবেক নেতার পরকীয়া ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ স্বামীর: ঈদে ৭ দিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক-শেয়ারবাজার: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ: পবিত্র ঈদুল আজহা আজ: ৬০ কিলোমিটারে দীর্ঘ যানজট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে: এসির গ্যাস লিকেজ হয়ে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু: জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর মাসুদ রানা যেভাবে পরিচালক পদ বাগালেন:

বাসার চাবি হারানোর পরদিনই গৃহকর্মীর হাতে খুন হয় মা ও মেয়ে:

রিপোর্ট : ওয়াসি উল কবির (বাবু) :

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বহুতল ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মা ও মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চার দিন আগে কাজে নেওয়া গৃহকর্মী আয়েশাকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে পুলিশ।

 

পুলিশ জানায়, ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে,সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে বোরকা পরে সাত তলায় ওঠে গৃহকর্মী আয়েশা। পরে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে সে নাফিসার স্কুল ড্রেস, কাঁধে স্কুল ব্যাগ ও মুখে মাস্ক পরে ভবন থেকে বের হয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক।

নিহত নাফিসার গলায় একাধিক গভীর ক্ষত এবং লায়লার শরীরেও ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে হাতে গ্লাভস পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা–মেয়েকে হত্যা করা হয়। বাসার একটি আলমারির জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া গেছে।

 

নাফিসার বাবা আজিজুল ইসলাম জানান, রোববার বাসার মূল দরজার চাবি হারিয়ে যায়। গৃহকর্মীর ওপর সন্দেহ হলেও তাকে কিছু বলা হয়নি। চার দিন আগে ভবনের তত্ত্বাবধায়ক ও নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে ওই গৃহকর্মীকে কাজে নেওয়া হয়। সে কখনো নিজের পরিচয় সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দিত না। মা–বাবা আগুনে পুড়ে মারা গেছে বলে দাবি করত।

 

তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ১১টায় বাসায় এসে দেখি স্ত্রী আর মেয়ের রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে।

 

ঘটনার পরে মো. খালেক নামে ভবনটির এক নিরাপত্তাকর্মীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ভবনের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সময়রেখা নিশ্চিত করছে পুলিশ।

 

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। নাফিসাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে মারা যায়। সুরতহাল শেষে দুটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। হত্যাকাণ্ড তদন্তে সব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে,বলেন তিনি।

 

আজিজুল ইসলাম ২০১২ সাল থেকে পরিবার নিয়ে ওই ভবনের অষ্টম তলার ফ্ল্যাটে বসবাস করছিলেন। হঠাৎ এমন মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে ভবনের বাসিন্দা ও এলাকাজুড়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা