রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক :
সরকার পরিবর্তনের পর সাধারণ মানুষের অন্যতম বড় প্রত্যাশা ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা হলেও সহনীয় হবে। তবে বাজারে ঘুরে এবং ভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়, এখনো অনেকেই কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি পাননি বলে অভিযোগ করছেন।

চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস, ডিম, পেঁয়াজ ও সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের জন্য এখনো বড় উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক ব্যয়ের বড় অংশই খাদ্য কেনার পেছনে ব্যয় হচ্ছে।
অন্যদিকে সরকার দাবি করছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারে স্বস্তি ফেরাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানো এবং বাজার ব্যবস্থাপনা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে ধীরে ধীরে ভোক্তারা এর সুফল পান।
তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, শুধু কর কমালেই যথেষ্ট নয়। বাজারে কার্যকর তদারকি, সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন, মজুতদারি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার নিশ্চিত করা না গেলে সাধারণ মানুষের কাছে মূল্য কমার সুফল পুরোপুরি পৌঁছাবে না।
ভোক্তাদের ভাষ্য, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দ্রব্যমূল্যে দ্রুত স্বস্তি আসবে—এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তবে অনেক পণ্যের দাম এখনো তাদের ক্রয়ক্ষমতার তুলনায় বেশি। ফলে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনেকেই।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তার বাস্তব প্রভাব মূল্যায়ন করতে আরও সময় লাগতে পারে। তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা একটাই—নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসুক এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক।