শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজধানীর মহাখালীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে এক ব্যক্তি আহত: কলকাতায় পৌঁছেছেন অমিত শাহ,পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি: মমতার দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটল,পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল: মোস্তাক পাশা(মিলন) কে ‘দ্বিতীয় বিভাগ অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবল লীগ ২০২৫-২৬’-এর চেয়ারম্যান মনোনীত: শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম: রাজধানীর ফার্মগেটে চলন্ত মাইক্রোবাসে আগুন: নোয়াখালীর সোহেল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আ’ লীগের দোসর কর্মচারী জালাল উদ্দিন, তোফাজ্জল, জাহাঙ্গীর ও রাকিবুল সিন্ডিকেট গড়ে দুর্নীতি ও অপকর্মের মাধ্যমে গড়েছেন অঢেল সম্পদ । তাদের কাছে ডাক্তার, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জিম্মি : সাজানো, মিথ্যা, বানোয়াট চরিত্র হননমূলক অপবাদ ছড়িয়ে সামাজিকভাবে মানহানি করার চেষ্টা প্রতিবাদে ভোক্তভুগী পরিবারের সংবাদ মস্মেলন: মিরপুর গৃহায়নে আ’ লীগ দোসর অফিসের কর্মচারীর নিজাম সিকদার ও মাহবুবের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের বিস্ফোরক অভিযোগ, তাদের স্ত্রীদের নামেও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন:

মিরপুর গৃহায়নে আ’ লীগ দোসর অফিসের কর্মচারীর নিজাম সিকদার ও মাহবুবের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের বিস্ফোরক অভিযোগ, তাদের স্ত্রীদের নামেও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন:

রিপোর্ট : নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর মিরপুর -২, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির মিরপুর-০২ কার্যালয়ে কর্মরত এমএলএসএস মো. নিজাম সিকদার দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। এবং তার স্ত্রী লাইজু আক্তার নামেও অঢেল সম্পদ গড়েছেন নিজাম সিকদার । তারা আওয়ামী লীগের আমলে মন্ত্রী ,এমপি ও স্থানীয় নেতাদের সহযোগিতায় চাকরি শুরু থেকে অদ্যবতী পর্যন্ত গৃহায়নে আগত গ্রাহকদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে সুকৌশলে কাজের বিনিময়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। গ্রাহকরা যদি টাকা পয়সা না দেন তাহলে নিজান সিকদার ও অফিস সহকারী মোহাম্মদ মাহবুবসহ সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যরা গ্রাহকদের কে দিনের পর দিন মাসের পর মাস ঘুরাইতে থাকে । আবার যদি ওই সিন্ডিকেটের কাছে অর্থ দেওয়া হলে তাহলে গ্রাহকদের কে আর হয়রানির শিকার হতে হয় না । অভিযোগে আরো জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তারা একের পর এক দুর্নীতি -অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে । তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কেউ নেই ! চাকরি শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিজাম সিকদার ও মোহাম্মদ মাহবুব সিন্ডিকেটের সদস্যরা অবৈধভাবে দুর্নীতি ও অপকর্মের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে গেছেন। একই অফিসে সাধারণ কর্মচারী ও কর্মকর্তারা তাদের কর্মকান্ড দেখে হতভাগ হয়েছেন । তারা কিভাবে এত সম্পদের মালিক হলেন কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন এর পিছনে কারণ কি ?
মো. নিজাম সিকদার বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার হষ্টিশূন্য গ্রামের মো. আফসার সিকদারের ছেলে তিনি।তার টিআইএন নং-৭৯৬১০৯৮০৮৬২১, কর সার্কেল-২৯০, কর অঞ্চল-১৪, ঢাকা।
অভিযোগকারী মো. আকিলুর রহমান চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল লিখিত আকারে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রী পরিষদ সচিব ও মন্ত্রী পরিষদ বিভাগে অভিযোগ দাখিল করেন নিজাম সিকদার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে । ওই অভিযোগের ভিত্তিতে এইসব তথ্য পাওয়া যায়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নিজাম সিকদার তার চাকরির সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট ও প্লট অর্জন করেছেন। এসব সম্পদের বেশিরভাগই তার স্ত্রী লাইজু আক্তারের নামে করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। অভিযোগে যেসব সম্পদের তথ্য উঠে এসেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—মিরপুরের পল্লবী এলাকায় একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাট, সেকশন-০২ এলাকায় আরেকটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, সেনপাড়া পর্বতায় বসবাসরত একটি ফ্ল্যাট এবং রূপনগর আবাসিক এলাকায় একটি প্লট। এছাড়াও মিরপুরের আরও একটি এলাকায় ফ্ল্যাট থাকার তথ্য স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, বরিশাল শহরেও তার স্ত্রীর নামে একটি বহুতল ভবন রয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে তার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসেবে জমা রয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারী হয়েও এ ধরনের সম্পদের মালিক হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নিজাম সিকদার ও মোহাম্মদ মাহবুব সিন্ডিকেট মিলে অবৈধভাবে একের পর এক দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তার এসব অবৈধ সম্পদ রক্ষায় স্থানীয় কিছু কথিত সাংবাদিক সহায়তা করছেন এবং প্রকৃত অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি ভয়ভীতি ও হুমকির অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, বিষয়টি একাধিকবার দুর্নীতি দমন কমিশনে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে করে সংশ্লিষ্ট সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীসহ সচেতন মহল।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত নিজাম সিকদার ও মাহবুবের বক্তব্য এই প্রতিবেদন প্রকাশের আগ পর্যন্ত তাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার আগে এই ব্যাপারে তারা কোন মন্তব্য দিতে রাজি হননি । পর্ব ১।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা